১৯৭৩-এর অধ্যাদেশ-এর পরিবর্তনে আইন কমিশন

১৯৭৩-এর অধ্যাদেশ-এর পরিবর্তনে আইন কমিশন

by Abishchruto on Wed Jul 08, 2009 10:39 pm

শুরু হয়নি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া
বিশেষজ্ঞদের মতামত ছাড়াই আইন সংশোধনে মত দিয়েছে আইন কমিশন

মিলটন আনোয়ার
কয়েকদিন নানান বিবৃতি ও তোড়জোড়ের পর এখন বাজেট বরাদ্দের অজুহাতে শুরু হয়নি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া। আর যে আইনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হবে সেই আইন সংশোধনের মতামত চেয়ে আইন কমিশনের আহ্বানে সাড়া দেননি অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ। ফলে বিশেষজ্ঞদের মতামত ছাড়াই নিজেরা মতামত দিয়ে গতকাল আইন কমিশন আইনটি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ২৯ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে প্রস্তাব পাস হয় আর এরমধ্য দিয়েই নতুন করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পথ উন্মুক্ত হয়। বিচারের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সন্দেহভাজন যুদ্ধাপরাধীদের দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকার।
আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ জানিয়েছেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয়নি, কিন্তু প্রক্রিয়া চলছে। এজন্য অনেককে দেশত্যাগ না করতে সরকার নির্দেশ দিয়েছে। সরকরের কাছে যুদ্ধাপরাধীদের কোনো সুনির্দিষ্ট তালিকা আছে কিনা তা স্পষ্ট না করে আইনমন্ত্রী জানান, মামলা দায়ের হলেই যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা জানা যাবে। এদিকে সূত্রমতে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম এবং ওয়্যার ক্রাইম ফ্যাক্ট অ্যান্ড ফাইন্ডিং কমিটি সরকারের কাছে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত করে ১৭ হাজার ৭৫ জনের একটি তালিকা সরকারের কাছে জমা দিয়েছে।
গত ৯ এপ্রিল আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্তসংস্থা, দু’সপ্তাহের মধ্যে প্রসিকিউটর নিয়োগ এবং ট্রাইব্যুনাল গঠন করারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকের পর আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আজ থেকে যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলো। সিআইডি, ডিজিএফআই, এনএসআই, রেবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংুক থেকে বাছাই করা ব্যঁিঋদর নিয়ে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানা যায়। তদন্তকারী সংস্থার কাছে যুদ্ধাপরাধীদের একটি তালিকা দেবে সরকার। তাদের তদন্তের পরেই মামলা দায়ের করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ঁ। কিন্তু এরপরই তদন্ত কমিটি গঠন নিয়ে লুকোচুরি শুরু হয়। ১৯ এপ্রিল তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন সেলের সদস্যদের নাম চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা দফায় দফায় বৈঠক করেন। সকালে প্রথম বৈঠক শেষে তারা দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে বৈঠক করেন। এই বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদের বাসভবনে আবারো বৈঠক বসে। সেই বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় জানানো হয় পরের দিন ২০ এপ্রিল নাম ঘোষণা করা হবে। ১৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরবে রাষ্ট্রীয় সফরে যান। আইনমন্ত্রীও একটি সেমিনারে যোগ দিতে মধ্যপ্রাচ্যে যান।
২০ তারিখে জানানো হয়, আইনমন্ত্রী দেশে ফেরার পর তদন্ত সংস্থার নাম ঘোষণা করা হবে। ২৫ এপ্রিল আইনমন্ত্রী দেশে ফেরার পর আজ অবধি সেই নাম ঘোষণা করা হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তদন্তকারী সংস্থার সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হবে তাই সময় লাগছে। কখনো বলা হচ্ছে, বিচার যাতে আন্তর্জাতিক মান অর্জন করে সেজন্য সময় লাগছে। আবার আইনমন্ত্রী বলছেন ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য জায়গা ও সহায়ক লোকবল নিয়োগের কারণে দেরি হচ্ছে।
এরমধ্যে আইন মন্ত্রণালয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য সরকারের কাছে ১০ কোটি টাকার থোক বরাদ্দ চায়। কিন্তু অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তব্যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে টাকা বরাদ্দের কথা উল্লেখ ছিলো না। পরে আইনমন্ত্রী জানান, মন্ত্রী পরিষদ টাকা বরাদ্দের বিষয়ে একমত হয়েছে। কয়েকদিন আগে আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, বাজেটে বরাদ্দকৃত টাকা পাওয়া গেলেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে। আর আইন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগে খবর নিয়ে জানা গেছে, এই মুহূর্তে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের ভেতরে কোনো তৎপরতা নেই। এদিকে যে আইনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হবে সেই আইনটি যুগোপযোগী করার জন্য মতামত চেয়ে আইন কমিশন বিশেষজ্ঞদের কাছে যে চিঠি পাঠিয়েছিল তাতে মাত্র দুই জন তার মতামত দিয়েছে। আইনটি সংশোধনের ওপর মতামত চেয়ে আইন কমিশন মোট ৩৩ জনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল।
সাবেক বিচারপতি কাজী এবাদুল হক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক আইন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার হারুন উর রশিদ ছাড়া আর কেউ মতামত দেয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতামত ছাড়া নিজেরাই মতামত দিয়ে গতকাল আইন কমিশন আইনটি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে বলে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি আ. রশিদ এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। তবে আইন কমিশন কী মতামত দিয়েছে তা তিনি জানাতে অস্বীকার করেছেন।


তথ্যসূত্র : আমাদের সময়, বৃহস্পতিবার, ১১ আষাঢ় ১৪১৬, ২৫ জুন ২০০৯।
তথ্যলিংক : http://www.amadershomoy.com/content/2009/06/25/news0254.htm
Abishchruto
 
Posts: 51
Joined: Tue Feb 10, 2009 2:03 am

সূত্র : ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশ-এর পরিবর্তনে আইন কমিশন

by Abishchruto on Wed Jul 08, 2009 10:47 pm

যুদ্ধাপরাধের বিচারে ’৭৩ সালের আইন সংশোধনের সুপারিশ
যা বলা হয়েছে
* প্রধান ট্রাইব্যুনালের সাথে একাধিক বেঞ্চ গঠন
* অভিযুক্ত কেউ খালাস পেলে আপিলের সুযোগ
* ব্যক্তিগত অপরাধের দায় সুনির্দিষ্ট করা
* বিচার কার্যক্রম স্থগিত করা যাবে না

দিদারুল আলম
ঢাকা, ২৬ জুন : যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য ১৯৭৩ সালে প্রণীত আন্তর্জাতিক অপরাধসমূহ (ট্রাইব্যুনালস) আইন সংশোধনের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে আইন কমিশন। যুদ্ধাপরাধের জন্য সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনয়ন, কমপ্রিহেনসিভ ট্রাইব্যুনাল গঠন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খালাস প্রদান সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ দিয়ে এই আন্তর্জাতিক আইন সংশোধনের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া উক্ত আইনের ৬(১) ধারা সংশোধনের সুপারিশ করে বলা হয়েছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য একটি প্রধান ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে সরকার। উক্ত ট্রাইব্যুনালের অধীনে এক বা একাধিক বেঞ্চ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া ৬(২) ধারা সংশোধনের সুপারিশে বলা হয়েছে, এই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ও সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারক হবার যোগ্য, বর্তমানে বিচারক হিসাবে কর্মরত আছেন অথবা বিচারক ছিলেন তাদেরকে নিযুক্ত করা যাবে।
এই আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় আরো উল্লেখ ছিল, বাংলাদেশের কোন কর্ম আইনের অধীন জেনারেল কোর্ট মার্শালের সদস্য হবার যোগ্য তাহাকে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান অথবা সদস্য নিযুঁঋকরা যাবে। বর্তমানে কমিশন এই ধারাটি বাতিল করার জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে। এছাড়া মামলার তদন্তকারী সংস্থা ও প্রসিকিউশনের সদস্যগণের দায়বদ্ধতা সরকার কর্তৃক গঠিত ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের নিকট থাকবে।
সুপারিশে বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের অন্তর্বর্তী আদেশের বিরুদ্ধে অর্থাৎ যার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে তিনি সংক্ষুব্ধ হলে উক্ত আদালতে প্রতিকার চাইতে পারবেন। তবে সর্বোচ্চ আদালত যুদ্ধাপরাধের মামলার বিচার কাজ স্থগিত করে কোন আদেশ প্রদান করতে পারবে না মর্মে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি ওই আইনে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।
সুপারিশে আরো বলা হয়েছে, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলা থেকে অভিযুক্ত কাউকে যদি ট্রাইব্যুনাল বেকসুর খালাস দিয়ে রায় প্রদান করে, তাহলে উক্ত খালাস সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের অর্থাৎ প্রসিকিউশনের আপিল করার সুযোগ রাখা হয়েছে। সহায়ক বাহিনী ছাড়াও যুদ্ধাপরাধের ব্যক্তিগত অভিযোগের দায় থেকে যেন কেউ বের হতে না পারে তা সুপারিশে উল্লেখ করা হয়েছে। বুধবার এই সুপারিশ সংক্রান্ত প্রতিবেদন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।
আইন সংশোধনের সুপারিশ প্রসঙ্গে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ আব্দুর রশিদ বলেন, আইন পাথর নয়, চলমান। সময় ও সমাজ পরিবর্তনের সঙ্গে আইন পরিবর্তনশীল। তিনি বলেন, ৭৩ সালের আইনকে যুগোপযোগী করার জন্য সংশোধনের সুপারিশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, সহায়ক বাহিনীর বাইরেও তো কেউ মানবতাবিরোধী অপরাধ করে থাকতে পারে। এছাড়া অপরাধের দায় ব্যক্তিগত। ব্যক্তিগত অপরাধের দায় থেকে যেন কেউ রেহাই পেতে না পারে এজন্য বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে উক্ত আইনে সংযোজনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। কারণ কোন প্রতিষ্ঠান অপরাধ করলে তাকে তো সাজা দেয়া যাবে না। তাই সহায়ক বাহিনীর যারা সদস্য ছিলেন তাদেরকেই বিচারের আওতায় আনা যাবে।
জানা যায়, চলতি বছরের ২১ মে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় যুদ্ধাপরাধের বিচারে ১৯৭৩ সালের আইনটি সংশোধনের জন্য কমিশনকে একটি চিঠি প্রেরণ করে। উক্ত চিঠির প্রেক্ষিতে ৩৩ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে পৃথকভাবে মতামত চায় আইন কমিশন। এদের মধ্যে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি, আইন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিগণ, আইন বিশেষজ্ঞ ও ৫টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের চেয়ারম্যান বা ডীনগণ। গত ১১ জুনের মধ্যে এই বিষয়ক মতামত পাওয়ার পর উক্ত আইনটি সংশোধনের কাজ শুরু করে কমিশন। আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মোঃ আব্দুর রশীদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি এই সংশোধনের কাজ করেন। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন সাবেক জেলা জজ সুনীল চন্দ্র পাল ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সাবেক ডীন ও চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম শাহ আলম।

তথ্যসূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক, শুক্রবার, ১২ আষাঢ় ১৪১৬, ২৬ জুন ২০০৯।
তথ্যলিংক :
http://www.ittefaq.com/content/2009/06/26/news0592.htm
Abishchruto
 
Posts: 51
Joined: Tue Feb 10, 2009 2:03 am

Re: ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশ-এর পরিবর্তনে আইন কমিশন

by admin on Thu Jul 09, 2009 6:57 pm

HRW calls for rigorous amendment to war crimes law

Dhaka, July 9 (bdnews24.com)—Human Rights Watch has called on the Bangladesh government to ensure its proposed amendment to a 1973 act is rigorously updated in line with international law for upcoming trial of war criminals.

HRW suggested the law's definition of genocide, crimes against humanity and war crimes, and its sections on rights of the accused, witness and victim protection be amended in line with a 1998 statute of the International Criminal Court for credible trials.

In a letter to prime minister Sheikh Hasina, released on its website Thursday, HRW welcomed the tabling of amendments to the International Crimes (Tribunals) Act of 1973 by law minister Shafique Ahmed to make the law '"fair and neutral".

"However, additional amendments to the 1973 law are necessary to ensure that trials under the Act are carried out in accordance with Bangladesh's international human rights obligations, international
criminal law, and Bangladesh's constitution," said Brad Adams, executive director of HRW's Asia Division, in the letter.

"While the International Crimes (Tribunals) Act may have been largely based on international standards at the time of its drafting, international criminal law has evolved significantly since, including with the adoption of the Rome Statute of the International Criminal Court (ICC) in 1998 and its coming into force after ratification by 60 states in 2002," he said.

"Justice for these atrocities is long overdue. But without additional amendments to the Act the process may not meet international fair trial standards. This could result in a lack of credibility for the
process in Bangladesh and internationally, which would only benefit those responsible for the horrific crimes of this period," said the letter.

Law minister Shafique Ahmed presented a bill for amendment of the 1973 Act in parliament on Wednesday, for upcoming trials of war crimes, with the speaker urging quick passage before the end of the current parliamentary session.

Shafiq tabled the bill for tailoring of the original act in order to try war crimes committed by individuals or groups of individuals during Bangladesh's war of independence from Pakistan.

The bill was sent to the parliamentary standing committee on the law ministry for overnight scrutiny.
Speaker Abdul Hamid requested the committee to submit its report on the bill to the parliament secretariat by noon on Thursday for passage of the legislation on the last day of the current session.

The cabinet gave the go-ahead on July 6 to amend the law to ensure "fair and neutral" war crimes trials. Shafique said on the day that the 1973 act allows for trial of armed forces and associate forces, but his ministry had recommended an added provision to try individuals and groups of individuals for war crimes in Bangladesh.

He also said a provision for appeal against the tribunal's verdict has been included in the draft amendment, which is not contained in the original law.

[url]bdnews24.com/mi/rah/1557h[/url]
admin
Site Admin
 
Posts: 101
Joined: Sat Dec 13, 2008 7:22 pm

সূত্র : ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশ-এর পরিবর্তনে আইন কমিশন

by Abishchruto on Mon Jul 20, 2009 2:41 pm

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস সংশোধনী বিল পাস
১০ জুলাই : একক ব্যক্তি বা ব্যক্তিগোষ্ঠীকেও বিচারের আওতায় আনার বিধি যুক্ত করে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩ সংশোধন করে ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) (সংশোধনী) বিল, ২০০৯’ পাস করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী, প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য ছাড়া অন্যদের বিচারের আওতায় আনার সুযোগ ছিল না।

গতকাল বৃহস্পতিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠ ভোটে তা পাস হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পরপরই এ আইনের আওতায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়া শুরুর সম্ভাবনা আছে। এই বিলটির সঙ্গে গতকাল বাজেট অধিবেশনের শেষ দিনে আরো দুইটি বিল পাস হয়। আইনমন্ত্রী মানবাধিকার কমিশন বিল ২০০৯ এবং দ্য সুপ্রিম কোর্ট জাজেজ (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (সংশোধনী) বিল, ২০০৯ উত্থাপন করলে তা পাস হয়।

গতকাল পাস হওয়া ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) (সংশোধনী) বিল, ২০০৯ অনুসারে সশস্ত্র বাহিনী, প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য ছাড়াও একক ব্যক্তি বা ব্যক্তিগোষ্ঠীকেও বিচারের আওতায় আনার বিধান রাখা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে কর্মরত বা সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার যোগ্য বা উক্ত কোর্টের বিচারপতি ছিলেন এমন ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বা সদস্য হিসেবে নিয়োগ করার বিধান রাখা হয়েছে।

এলডিপি’র চেয়ারম্যান কর্নেল (অবঃ) অলি আহমেদ বিলের দফায় সংশোধনী দিয়ে বলেন, ‘বিচারপতি হওয়ার যোগ্য’ ধারাটি বাদ দেয়ার প্রস্তাব করেন। এক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

তবে আইন মন্ত্রী বলেন, জেলা জজরাও এর আওতাভুক্ত হতে পারেন। অথবা অভিজ্ঞ জেলা জজদের মধ্যে যারা ১০ বছরের বেশী অভিজ্ঞতা নিয়ে অবসর নিয়েছেন এমন কাউকেও এক্ষেত্রে নিয়োগ দেয়া যেতে পারে। দফা তুলে নেয়ার প্রস্তাব দেয়া হলেও অলি আহমেদ তা প্রত্যাহার না করে আইনমন্ত্রীর ওপর ছেড়ে দেন। উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার যেন আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয় সে কারণেই ‘বিচারপতি হওয়ার যোগ্য’ বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। এসময় দফা সংশোধনীর প্রস্তাব ভোটে না দিয়ে স্পিকার আব্দুল হামিদ এডভোকেট বলেন, যে ব্যাখ্যা এসেছে তাতে আর কোন সংশয় থাকার কথা নয়।

বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণে বলা হয়েছে, গণহত্যা, মানবতা বিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির আটক (ডিটেনশন), বিচার (প্রসিকিউশন) ও শাস্তির (পানিশমেন্ট) বিধান করার লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) অ্যাক্ট, ১৯৭৩ প্রণয়ন করা হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দেশের বিভিন্ন স'ানে সংঘটিত মানবতা বিরোধী অপরাধ যেমনণ্ড নরহত্যা, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ইত্যাদির বিচার করার জন্য উক্ত আইনের বিধান অনুযায়ী ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি প্রতিষ্ঠা, চিফ প্রসিকিউটরসহ প্রসিকিউটর নিয়োগ এবং ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে উক্ত অপরাধসমূহের তদন্তপূর্বক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার বিধান থাকলেও আজ পর্যন্ত উক্ত অপরাধসমূহের সঙ্গে জড়িতদের বিচার অনুষ্ঠিত হয়নি।

বিলটি পাসের জন্য উত্থাপনের সময় আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে দৃঢ় অঙ্গীকারাবদ্ধ। তাই যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিচার করার উদ্দেশ্যে উক্ত আইনটি যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে এর কতিপয় বিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়েছে।

এর আগে গত বুধবার বিলটি উত্থাপন করা হয় এবং মাত্র ১২ ঘন্টা সময় দিয়ে সংসদীয় কমিটিকে রিপোর্ট দেয়ার জন্য বলা হয়। গতকাল সন্ধ্যায় বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করার মাত্র কয়েক মিনিট আগে কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংসদে তা উপস'াপন করেন। এর আগে সকালে কমিটির সদস্যদের দিয়ে বৈঠক করে বিলটি চূড়ান্ত করেন তিনি। বিলটি উত্থাপনের সময় সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করে আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণ করবে। তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ যারা করেছে, তাদের বিচার সম্পন্ন করে দেশ ও জাতি কলঙ্কমুক্ত হবে।

এর আগে ৬ জুলাই মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়া শুরু করতে ১৯৭৩ সালের আইনটি সংশোধনের সিদ্ধান্ত নীতিগতভাবে গ্রহণ করা হয়। ২৯ জানুয়ারি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে সংসদে পাস হয়।

তথ্যসূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক, ২৬ আষাঢ় ১৪১৬/ ১০ জুলাই ২০০৯
তথ্যলিংক :
http://www.ittefaq.com/content/2009/07/10/
Abishchruto
 
Posts: 51
Joined: Tue Feb 10, 2009 2:03 am


Return to NEWS



cron
./cache/ is NOT writable.